কোন কৃষি ব্যবসা করলে অনেক লাভবান হওয়া যাবে?

কৃষি ভিত্তিক ব্যবসা চাহিদা যুগ যুগ ধরে আছে এবং থাকবে। সঠিক প্রশিক্ষণ থাকলে আপনি কৃষি পণ্যের ব্যবসা করে কোটিপতি হতে পারবেন।

১. ছাদ বাগান ব্যবসার আইডিয়া

ছাদ বাগান বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবসার আইডিয়া। আপনি যদি শহরে এই কৃষি ভিত্তিক ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন তাহলে, খুব দ্রুত লাভবান হতে পারবেন। অনেকে শখের বশে ছাদ বাগান শুরু করে পরবর্তীতে তা ব্যবসায় রূপান্তর করেছে।

ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ছাদ বাগান শুরু করার জন্য আপনাকে আপনার আশে-পাশে থাকা কয়েকটি বিল্ডিঙের ছাদ ভাড়া নিতে হবে। আর যদি নিজের ছাদ থাকে তাহলে তো সোনায় সোহাগা।

ছাদে আপনি সবজি কিংবা ফলের চাষ করতে পারেন। তাজা এবং ভেজালমুক্ত হওয়ার কারণে বিক্রি করে ভাল টাকা আয় করতে পারবেন। মনে রাখবেন, ছাদ বাগানের ক্ষেত্রে সবসময় দামী এবং দুর্লভ ফল বা সবজির ব্যবসা করে লাভবান হওয়া যায়।

২. মুক্তা চাষ

মুক্তা খুব মূল্যবান এবং দামি একটি রত্ন। অলংকার সহ আরও অনেক কাজে মুক্ত ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশের আবহাওয়া মুক্তা চাষের জন্য উপযোগী। এছাড়া, মিঠাপানি হওয়ার কারণে মুক্ত বহনকারী ঝিনুক চাষের রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

২০০ পিস মুক্তা চাষে আপনার ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা খরচ হবে। আর এটা বিক্রি করে আপনি ১ থেকে ২ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট মুক্তা চাষ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। মুক্তা চাষে আগ্রহী হয়ে থাকলে আপনি তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

৩. হাইড্রোপনিক ফসল

যাদের উর্বর মাটি নেই কিংবা জমি বেশিরভাগ সময় পানিতে ডুবে থাকে তারা হাইড্রোপনিক পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। মূলত, মাটির বদলে, পানিতে গাছের জন্য যা প্রয়োজন তা মিশিয়ে ফসল আবাদ করাকে হাইড্রোপনিক ফসল বলা হয়। মূলত, ভাসমান পদ্ধতিতে কিংবা পানির বোতলে ফুল লাগানোটা হাইড্রোপনিকের একটি বড় উদাহরণ।

পাতা জাতীয় সব ধরণের সবজি যেমন লেটুস পাতা, বাঁধাকপি। এছাড়া, টমেটো, বেগুন, শসা, ক্যাপ-সিকাম, বিভন্ন ফল ও ফুলের চাষ করা সম্ভব এই পদ্ধতিতে।

৪. বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত একটি আইডিয়া। অনেক মানুষ এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। চাইলে আপনিও এটা শুরু করে দিতে পারেন।

৫. মাশরুম চাষ

সুস্বাদু এই খাবারটি আজ থেকে ৪ হাজার বছর আগে মিসরে রাজকীয় ভাবে চাষাবাদ করা হত। কেননা, তারা এটাকে মানুষের অমরত্বের উৎস মনে করতো। যাই হোক, কালের বিবর্তনে এর চাহিদা কেবল ঔষধের জন্য নয় বরং নিয়মিত খাবার এবং রেস্টুরেন্টের অনেক খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।