বাংলাদেশে কেমিক্যাল ব্যবসায়ের শর্ত কি কি?

বাংলাদেশে কেমিক্যাল ব্যবসায়ের শর্ত কি কি?

কেমিক্যাল ব্যবসায় সফলতা পেতে হলে আপনাকে কিছু শর্ত মানতে হবে। নিচে এগুলো আলোচনা করা হলো ।
১. চাহিদা নিরুপনঃ কেমিক্যাল ব্যবসা করতে হলে প্রথম ধাপটি হলো চাহিদা নিরুপন করা। একজন বিক্রেতা বা একজন সরবরাহকারী হিসেবে আপনাকে আগে জানতে হবে, বাজারে কোন ধরনের কেমিক্যালের চাহিদা বেশি। উপরে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল বর্ণনা করা হয়েছে যা থেকে চাহিদা সহজেই নিরুপন করা যায়।

২. যোগান নিরুপনঃ কাদের থেকে কেমিক্যাল কিনবেন, বা কারা আপনার দেশে কেমিক্যাল সাপ্লাই দেয়। আপনি যদি নিজেই আপনার দেশের ভেতর একজন সাপ্লায়ার হতে চান তাহলে আপনাকে ভাবতে হবে আপনি কার থেকে কিনবেন। দেশে বসেই আলিবাবা থেকে কেমিক্যাল নিতে পারেন।

৩. বাজার যাচাইঃ অবশ্যই আলিবাবার ওয়েবসাইটে ঢুকে যে কারো কাছ থেকে কেমিক্যাল কিনে ফেলা মোটেও বুদ্ধিমানের হবেনা। বরং দু তিন জন সাপ্লায়ারের সাথে কথা বলতে হবে, দামাদামি করতে হবে, প্রয়োজনে কাস্টমারের দেয়া রিভিউগুলো পড়ে নিতে হবে।

৪. দেশের ভেতর বাজার যাচাইঃ আলিবাবা থেকে না নিলে দেশের ভেতর মির্টফোর্ড, নবাবপুরে রয়েছে কেমিক্যালের বিশাল বাজার। এখান থেকেও যাচাই বাছাই করে কেমিক্যাল নিতে পারে। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে কেমিক্যাল কিনতে ইকেম ভিজিট করুন ।

৫. আমদানির ব্যবস্থাঃ এক্ষেত্রে একটি লিখিত ডকুমেন্ট থাকা ভালো, যাতে উল্লেখ থাকবে দাম, পরিমাণ, পণ্য ডেলিভারির তারিখ। আমদানি খরচ কেমন পরবে এবং কে তা বহন করবে, আমদানির স্থান এসব বিষয়ও উল্লেখ থাকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
৬. লাইসেন্সঃ আমদানিকারক হলে অবশ্যই আপনাকে আমদানি লাইসেন্স করে নিতে হবে।

৭. ক্রেতার সন্ধানঃ কেমিক্যাল আনার পর গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হচ্ছে ক্রেতা খুঁজে বের করা। অনেক সময় চাহিদা নিরুপনের পরপরই এ ধাপটি আসতে পারে। এ ধাপে যারা এ ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করে তাদের সাথে গিয়ে যোগাযোগ করতে হবে।
কথায় আছে, মোটামুটি তিন মাস আপনার কাছে থাকা কেমিক্যালের ব্যপারে কাস্টমারকে জানাতে হবে। আপনার কাছ থেকেই কেন কিনতে হবে, লাভ কি এসব বিষয় যেন ক্রেতার কাছে পরিষ্কার হয়।

৮. বিক্রয়ঃ ক্রেতার হাতে কেমিক্যাল পৌছে দেয়া এটাই এ ধাপের কাজ।